1. admin@alordiganto.com : admin :
উপহারের ঘর পেয়ে বেজায় খুশি - আলোর দিগন্ত
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১২:১০ অপরাহ্ন
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১২:১০ অপরাহ্ন

উপহারের ঘর পেয়ে বেজায় খুশি

ময়মনসিংহ
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৫ বার পঠিত
উপহারের ঘর পেয়ে বেজায় খুশি

Tags: , , , ,

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সিংজানী গ্রামের হত দরিদ্র জালাল উদ্দিনের (৭০) জমি-বাড়ি কিছুই ছিলোনা। পরিবারের তিন সদস্যের নিয়ে তিনি বাস করতেন ভাড়া নেয়া খুপড়ি ঘরে। চা বিক্রির আয়ে যেখানে সংসার চালানো কষ্টকর সেখানে জমি কিনে পাকা ঘর নির্মাণ জালালের কাছে ছিল স্বপ্নের মত। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘরে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তার। এখন তিনি পরিবার নিয়ে পাকাঘরে বসবাস করেন।
জালাল উদ্দিন বলেন প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেয়ে আমরা বেজায় খুশি। সংসার চালাতে ঘরের সামনেই একটি চা দোকান দিয়েছি। এখন আর মূল আয় থেকে ভাড়া দিতে হয় না।

আরেক ভূমিহীন উপজেলার তাঁতকুড়া গ্রামের রিকশাচালক আব্দুল হেলিম (৫০)। সাত সদস্যের পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ে থাকতেন। মালিক কখন তাড়িয়ে দেয় সবসময় এই দুশচিন্তা কাজ করতো। সেই হেলিম ‘মুজিবর্ষ’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়েছেন।
আব্দুল হেলিম বলেন রিকশা চালানোর আয়ে সংসারে অভাব-অনটন লেগে থাকতো। জমি কিনে পাকাঘর করা আমার পক্ষে অসম্ভব ছিল। কিন্ত প্রধানমন্ত্রী সেটা সম্ভব করে দিয়েছে। এখন ঘর হারানোর দুশচিন্তা নেই। স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে।
উপজেলা পিআইও অফিস সূত্রে জানা গেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার আশ্রয়ণ -২ প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থ বছরে উপজেলায় ১৬৯টি পরিবারের জন্য জমি সহ পাকাঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। ভূমিহীন ও গৃহহীন হিসাবে এসব ঘর বরাদ্দ পেয়েছে স্বামী পরিত্যক্তা, ভিক্ষুক, দিনমজুর, শারীরিক অক্ষম, নদীভাঙনগ্রস্ত মানুষ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। ঘর পাওয়ার পর সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে একসময় যারা গৃহহীন ও ভূমিহীন ছিল। জমি ও পাকাঘর পেয়ে এখন তারা আগের চেয়ে ভাল জীবনযাপন করছে। বাসিন্দাদের অনেকেই হাঁস, মুরগি, ছাগল পালনের পাশাপাশি ঘরের পাশে সবজি চাষ করছেন। কেউ দিয়েছেন ছোট টং দোকান। ঘরের নারীরাও সেলাই মেশিন ও হাতের কাজ করে আয় করছেন। তাদের ছেলে- মেয়েরাও বিদ্যালয়ে যাচ্ছে পড়াশোনা করতে।
উপজেলার নন্দুরা গ্রামে আবাসন প্রকল্পে ঘর পাওয়া বাচ্চু মিয়া (৪০) বলেন, আগে ভাঙা ঘরে ঝড়-তুফানে পরিবার নিয়ে থাকতে ভয় করতো। বৃষ্টির পানি পড়ার কারণে রাতে ঘুমাতে পারতাম না। এখন পাকাঘরে নিশ্চিতে ঘুমাতে পারি।
উপজেলা চূড়ালি গ্রামের সাহেরা খাতুন (৬০) বলেন নিজের ঘর না থাকায় সন্তানদের নিয়ে ভাইয়ের বাড়ি থাকতাম। পেটের দায়ে কাজ করতাম অন্যের বাড়িতে। শেষ বয়সে নিজের জমি ও ঘর হবে স্বপ্নেও ভাবিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই উপকার কখনো ভুলবো না।
ইউএনও হাসান মারুফ বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরগুলো অত্যন্ত সুন্দর ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে যারা ঘর পেয়েছেন তারা সেখানে সুখে-স্বাচ্ছন্দে দিনযাপন করছেন। পাশাপাশি কোন ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষ যেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

নামাজের সূময়সুচি :

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০৫
  • ১১:৪৯
  • ৩:৩৫
  • ৫:১৪
  • ৬:৩১
  • ৬:২০
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ আলোর দিগন্ত
Theme Customized By Shakil IT Park